Home Blog

জঙ্গল আর শীতের দুপুর

0

শহর থেকে দূরে নিরুপদ্রবে কাটাব দুটো দিন। ইচ্ছেপূরণ করতে সপ্তাহের মাঝেই গিয়েছিলাম বাঁকুড়ার মুকুটমণিপুরে। আগাম বুক করা ছিল বন দফতরের সোনাঝুরি প্রকৃতি ভ্রমণকেন্দ্র। কলকাতা থেকে টানা গাড়িতে সোজা মুকুটমণিপুর। গাড়ির রাস্তা ভাল। মন ভরে গেল সোনাঝুরিতে এসে। টিলার উপরে জঙ্গলের মাঝে ছোট ছোট কটেজ। বিভিন্ন গাছ, ফুল, পাখির কলতানে মনে হল, গভীর জঙ্গলে চলে এসেছি। দুপুরে খাওয়ার পরে সোনাঝুরির ভিতরে হিলটপ থেকে মুকুটমণিপুর বাঁধের প্যানোরোমিক ভিউ এতটাই মুগ্ধ করল যে, বিশ্রামে ইতি টেনে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম।পঞ্চাশের দশকে কংসাবতী ও কুমারী নদীতে বাঁধ দেওয়া হয়। বাঁধের উপরে দাঁড়ালে দুটো দৃশ্য দেখা যায়। এক দিকে জলাধারের নীল টলটলে জল, দূরে জঙ্গল। অন্য দিকে সবুজ খেত। সে সব ফ্রেমবন্দি করে, মিঠে রোদ গায়ে মেখে চললাম পরেশনাথ মন্দির দর্শনে। সোনাঝুরি থেকে বেরোনোর সময়ে এক কর্মী বলেছিলেন, টিলার উপরে পরেশনাথের মন্দির দেখে আসতে। টিলার মাথায় উঠে দেখলাম, খোলা আকাশের নীচে একটি শিবলিঙ্গ ও বেশ কিছু পাথরের প্রাচীন মূর্তি। কোনও মন্দির নেই। এগিয়ে এলেন পুরোহিত। বললেন, প্রাচীন মূর্তিগুলো কংসাবতীতে বাঁধ দেওয়ার সময়ে পাওয়া গিয়েছিল। যার ঐতিহাসিক মূল্য অসীম। বর্ষায় ঝেঁপে বৃষ্টি নামলে পরমেশ্বরের সঙ্গে তাঁরাও বৃষ্টিস্নাত হন! ভিড় হয় মকর সংক্রান্তি ও শিবরাত্রিতে। চারপাশের ল্যান্ডস্কেপ ভারী সুন্দর। বিদায়কালে পুরোহিতমশাই বলে দিলেন, তিন-চার কিলোমিটার দূরে অম্বিকামাতার মন্দিরটা দেখতে যেন না ভুলি!

মন্দির দেখতে গেলাম অম্বিকা নগরে। এই প্রাচীন জনপদ এক সময়ে রাজা-প্রজা-হাতি-ঘোড়া নিয়ে জমজমাট ছিল। এখন রাসমঞ্চ, ঠাকুরদালান, সিংহদুয়ারের ভগ্নাবশেষ অতীত জানান দেয়। সন্ধ্যারতি শেষে মন্দির, নগরের গল্প বললেন পূজারি। জানালেন, মন্দিরের চেয়েও কালো পাথরের বিগ্রহমূর্তি ঢের পুরনো।

পরদিন মুকুটমণিপুর থেকে ৩৬-৩৭ কিলোমিটার দূরে ঝিলিমিলি ও আরও কিছুটা দূরে তালবেড়িয়া বাঁধে যাওয়ার কথা। ঝিলিমিলি যাওয়ার জন্য রানিবাঁধগামী পথ ধরলাম। চড়াই-উতরাই থাকলেও রাস্তা মসৃণ। দু’পাশে শাল, সেগুন, কৃষ্ণচূড়া, শিমুল, পলাশ, শিরিষের ঘন সারি। কোথাও দু’ধারের গাছ নুইয়ে পড়ে আর্চের আকার নিয়েছে। এক জায়গায় চালক গাড়ি থামিয়ে দেখালেন নজরমিনার। সেটি বারো মাইল ভিউ পয়েন্ট। কাছেই বোর্ডে লেখা এলিফ্যান্ট করিডোর। এই নজরমিনারের উপর থেকে দেখা যায় চারদিকের গভীর জঙ্গল।

শাল গাছে ঘেরা শান্ত নির্জন জায়গা ঝিলিমিলি। পঞ্চায়েতের গেস্ট হাউস আছে এখানে। শালবনের ভিতরে ট্রি হাউস থেকে চোখ চলে যায় দূরে জঙ্গলে ঢাকা উপত্যকা, মাঠ, গ্রাম, নদীর দিকে। কিছুক্ষণ সেখানে কাটিয়ে পথ ধরলাম তালবেড়িয়ার দিকে। বিরাট জলাধার, নীল স্বচ্ছ জল আর তার দু’পার ধরে ঘন জঙ্গল। দু’-তিনজন মাছও ধরছেন। ছুটির দিনে অবশ্য পিকনিক আর মানুষের হইচইয়ে তালবেড়িয়ার শান্ত রূপ হারিয়ে যায়। মন ফিরতে চাইছিল না। কিন্তু উপায় নেই। বিকেলের আগেই ফিরে এলাম মুকুটমণিপুরে। ঠিক হল, সূর্যাস্ত দেখব বাঁধের জলাধারে নৌকাবিহার করতে করতে। অধিকাংশ পর্যটক নৌকা নিয়ে চলে যান বনপুকুরিয়ায়। ওখান থেকে হেঁটে বা টোটো করে পৌঁছনো যায় ডিয়ার পার্কে। আমরা সে পথে না গিয়ে জলের উপর থেকে সূর্যাস্ত দেখলাম। গোধূলির আলোয় তখন চারপাশ সোনালি। পাখিরা বাসায় ফিরছে। জঙ্গল ঢেকে আসছে কুয়াশায়। আকাশে অস্পষ্ট আধভাঙা চাঁদ। ঝুপ করে নেমে এল অন্ধকার। বাঁধের আলো জ্বলে উঠল। মাঝি নৌকা ফেরাল পারে। আমরাও পা বাড়ালাম সোনাঝুরিতে চা-পকোড়া সহযোগে সন্ধ্যাকালীন আড্ডা দিতে।

পাহাড়, চা বাগান, ঝর্না আর সমুদ্র হাতছানি দেয় শ্রীলঙ্কা

0

তার পরে শীতের কমলালেবু রোদ্দুরমাখা শহরটাকে মাটিতে রেখে হুশ করে উড়ে গেল প্লেনটা। ক্রমশ আরও ছোট পুতুলের ঘর। এখন শুধুই মেঘ। আরও পরে সূর্য ছুঁয়ে নেমে আসা— সমুদ্র, পাহাড় আর নারকেল গাছে ঘেরা ছোট্ট জনপদ। আমরা এখন রাবণ রাজার দেশে। বন্দরনায়েক এয়ারপোর্ট ছাড়তেই চড়া রোদের সঙ্গে সাইনবোর্ড হাতে স্বাগত জানালেন সফরসঙ্গী কান্নান, একাধারে সারথি ও গাইড। ব্যস্ত শহর ছেড়ে ছুটল গাড়ি। প্রথম গন্তব্য ক্যান্ডি।

এয়ারপোর্ট থেকে ক্যান্ডির দূরত্ব ১০০ কিলোমিটারের কিছু বেশি। আশ্চর্য যে, সিগন্যাল বা ট্রাফিক পুলিশের বালাই নেই। রাস্তায় আঁকা সাঙ্কেতিক নিয়ম মেনে দিব্যি ছোটে অজস্র গাড়ি। পৌঁছতে পৌঁছতে সন্ধে গড়ায়। গাড়ি পৌঁছল নেচার রিসর্টে। পরদিন ভোর থাকতে বেরিয়ে পড়া। রিসর্টের ভিতরে বিশাল জঙ্গল। নানা পাখির আশ্চর্য মেলা। এখানকার ছাতারে পাখির শিস মিষ্টি। আমাদের দেশের মতো ঝগড়ুটে নয় তারা।

ব্রেকফাস্ট সেরে বেরিয়ে পড়া হল রাবণ সাম্রাজ্য পরিদর্শনে। রাবণের থেকেও এ রাজ্যে গৌতম বুদ্ধের জনপ্রিয়তা ঢের বেশি। মোড়ে মোড়ে ঢাউস ঢাউস বুদ্ধমূর্তি।পথেই পড়ল সুবিশাল টুথ রেলিক টেম্পল। শ্রীলঙ্কার অন্যতম পবিত্র ধর্মস্থান। গৌতম বুদ্ধের দাঁত এনে এই মন্দিরে স্থাপন করেছিলেন রাজকন্যা হেমামালী ও তার স্বামী যুবরাজ দন্ত। তার পরে কত যুদ্ধ! বিদেশি শক্তির লাল চোখ দেখেছে এই মাটি, তার চিহ্ন রয়েছে মন্দিরের আনাচকানাচে। রয়েছে তথাগতের বোধিবৃক্ষও। ইতিহাস বাদ দিলেও ভারী সুন্দর, নিপুণ ভাস্কর্যের সাক্ষী এই মন্দির। সেখান থেকে মাত্র ন’মিনিট দূরেই পেরাডেনিয়ার রয়্যাল বটানিক্যাল গার্ডেন। প্রায় ১৪৭ একর জায়গা জুড়ে এই বাগানে রয়েছে তিনশোরও বেশি অর্কিড, অসংখ্য গাছ— সে এক সমারোহ। কতক্ষণ যে সেখানে কাটল!

পরদিন ভোরে ক্যান্ডি ছেড়ে গাড়ি ছুটল নুয়েরাএলিয়ার দিকে। ভেলভেটের মতো চা বাগান ঘেরা পাকদণ্ডী পথ। দারুণ সুন্দর একটা ভিউ পয়েন্টে গাড়ি থামল। পাহাড়, ঝর্না আর চা বাগানের অদ্ভুত প্যানোরমিক ভিউ। রাস্তাতেই পড়ল রামবোডা ফলস। উঁচু পাহাড়ের মাথা থেকে লাফিয়ে নামছে জলরাশি। সেখান থেকে গেলাম টি এস্টেটে। কত রকমের চা যে এখানে মেলে! চা তৈরির কারখানাও ঘুরে দেখলাম।

শৈলশহর নুয়েরাএলিয়াকে ‘লিটল ইংল্যান্ড’ বলা হয়। যে দিকে তাকানো যায় উঁকি মারছে পাহাড়, পাহাড়ের গা বেয়ে নামছে ঝর্না। পরের দিন ভোরে দেখি হিম ঠান্ডা। সঙ্গে বৃষ্টি। পাশেই রেস কোর্স। একটু এগিয়ে ছোট মনাস্ট্রি। ওটাই আবার বাচ্চাদের স্কুল। শীত গায়ে মেখে স্কুলে যাচ্ছে একদল শিশু। প্রথম গন্তব্য সীতাএলিয়া। খাস রাবণসাম্রাজ্য। শোনা যায়, হরণের পরে সীতাকে এখানেই রেখে যান লঙ্কেশ্বর। ছোট্ট মন্দিরে লাফালাফি করছে অসংখ্য বানরসেনা। পাহাড়ি জঙ্গল থেকে উপচে পড়ছে ঝর্না, নীচে নদী। অশোকবনে থাকাকালীন এখানেই নাকি স্নান সারতেন সীতা। রয়েছে হনুমানের সুবিশাল পায়ের ছাপও। এর পরে গ্রেগরি লেকে নৌকাবিহার। বৃষ্টি বাড়ছে, সঙ্গে ঠান্ডা হাওয়া। জলে তৈরি হচ্ছে রূপকথা। ভিনদেশি কন্যার আবদার রেখে হ্রদ থেকে শাপলা ছিনিয়ে এনে হার বানিয়ে দিলেন মাঝি। মুগ্ধতা ছাড়া আর কী-ই বা দেওয়ার থাকে এ দেশকে! বোটিং সেরে স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখলাম। কাছেই ভিক্টোরিয়া গার্ডেন— ঈশ্বরের সাজানো বাগান যেন! বিকেল কাটল সেখানেই।

পরের দিন সকাল সকাল নুয়েরাএলিয়া ছাড়লাম। তৃতীয় স্টপ বেনটোটা। রাস্তাতেই পিনাওয়ালা এলিফ্যান্ট অরফ্যানেজ। রোদ্দুরমাখা তিরতিরে নদীর বুকে ৫০-৬০ খানা হাতির একসঙ্গে স্নান! বেনটোটা পৌঁছতে রাত গড়াল। সাজানো হোটেলের ঘরেও কানে এল গর্জন। পরদিন ঘুম ভেঙেই ছুটলাম উৎসের দিকে। ঘরের বাইরেই দাঁড়িয়ে সমুদ্র। স্বচ্ছ আয়নার মতো নীল জলে নিজেকে চিনি। এ ‘বিপুল তরঙ্গ’, এই নিরন্তর বহমানতার কাছে নতজানু হই।

প্রাতরাশ সেরে গেলাম মাডু নদীর ধারে। ম্যানগ্রোভে ঘেরা, মধ্যে মধ্যে জেগে এক-একটি দ্বীপ। কোনওটা সাপেদের রাজ্য, আর কোনওটা কবিতার সেই দারুচিনি দ্বীপ। দু’-একটি পরিবারের বাস। জীবিকা দারুচিনি উৎপাদন। পুরো প্রক্রিয়াটি বুঝিয়ে বললেন এক বৃদ্ধা। মাথার উপর ঘাই মারছে শঙ্খচিল।

একটি টার্টল হ্যাচারি ঘুরে দেখলাম। পিছনেই অকল্পনীয় এক সৈকত। ছোট ছোট টিলা আর নারকেল গাছে ঘেরা স্বপ্ন যেন। চিকচিকে রোদ্দুরে সাদা ডানা ছড়িয়ে দিয়েছে সিগালের দল। বালির উপরে ছুটে বেড়াচ্ছে কাঁকড়া। বিকেলটা কাটল হালকা বৃষ্টি আর সমুদ্রের লোনা হাওয়ার সঙ্গে। রাতে টাটকা চিংড়ি সহযোগে সুস্বাদু নৈশাহার।হাতে আর মাত্র একদিন। অথঃ সমুদ্রকথা সেরে কলম্বো পৌঁছলাম। সাজানো গোছানো বাণিজ্য শহর। ঘুরে দেখলাম ন্যাশনাল মিউজ়িয়াম। সময় কম, তাই গাড়ি থেকেই দেখতে হল গল ফেস গ্রিন, মার্কিন আদলে তৈরি টুইন ওয়র্ল্ড ট্রেড সেন্টার… আরও কত কী। উচ্ছ্বাসের রাত পেরিয়ে খুব ভোরে সারথি ফের পৌঁছে দিয়ে গেেলন বিমানবন্দরে। অনেক দিন ঘরছাড়া। আচ্ছা, কেমন আছে আমার শহর কলকাতা

বার্সায় পাঁচ করোনা আক্রান্ত

0

হিসেব মতো লা লিগা নতুন ভাবে শুরু হবে ১১ জুন। তার আগেই বড় ধাক্কা খেল বার্সেলোনা। স্পেনের একটি রেডিয়ো চ্যানেল দাবি করেছে, দলের পাঁচ ফুটবলারের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। কিন্তু ক্লাব তা গোপন করে গিয়েছে। যে খবরে লা লিগা শুরু হওয়া নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। গত মাসেই বার্সেলোনার তরফে জানানো হয়েছিল, সমস্ত ফুটবলারদের করোনা পরীক্ষা হয়েছে এবং তার ফল নেগেটিভ এসেছে। তা হলে নতুন ভাবে ফুটবলাররা কবে আবার করোনায় আক্রান্ত হলেন? নাকি তখনই ক্লাবের পক্ষ থেকে সেই তথ্য গোপন করা হয়েছিল? যদিও কোন পাঁচ ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত, তা জানাতে পারেনি ওই রেডিয়ো চ্যানেল। তবে শোনা গিয়েছে, যে পাঁচ ফুটবলারের করোনা ধরা পড়েছে, তাঁদের এই রোগ সংক্রান্ত কোনও উপসর্গই ছিল না। পরে রক্ত পরীক্ষা করার সময়ে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। শোনা গিয়েছে, এর মধ্যে দু’জন সাপোর্ট স্টাফও রয়েছেন।

কোহালিকে শ্রদ্ধা করি কিন্তু ভয় পাই না, দাবি তরুণ পাক পেসারের

0

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাওয়ালপিন্ডিতে হ্যাটট্রিক করেছিলেন নাসিম শাহ। মাত্র ১৬ বছর ৩৫৯ দিনে কনিষ্ঠতম বোলার হিসেবে এই নজির গড়েছিলেন তিনি।সেই নাসিম শাহ ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহালির মুখোমুখি হওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে পাক পেসার জানিয়েছেন, তিনি কোহালিকে শ্রদ্ধা করেন, কিন্তু ভয় পান না। নাসিম শাহ বলছেন, “ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সব সময়ে স্পেশাল। আমাকে অনেকেই বলেছেন, এই ম্যাচ এক জনকে নায়ক বানাতে পারে।

ইদানীং কালে আইসিসি-র ইভেন্ট ছাড়া দুই প্রতিবেশী দেশের সাক্ষাৎ হয় না। নাসিম শাহ এ রকমই একটা ম্যাচ চাইছেন। সেই ম্যাচেই বিরাট কোহালির বিরুদ্ধে নিজেকে তুলে ধরতে চান তিনি। নাসিম বলছেন, “এই ধরনের ম্যাচ তো সব সময়ে হয় না। খুব অল্পই হয়ে থাকে। আমি ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে চাই।সুযোগ এবং সময় এলে ভারতের বিরুদ্ধে নিজেকে নিংড়ে দিতে চান নাসিম। আত্মবিশ্বাসী পাক পেসার বলছেন, “ভারতের বিরুদ্ধে আমি ভাল বল করতে পারব বলেই বিশ্বাস রাখি। আমি ভক্তদের নিরাশ করব না, এটুকু বলতে পারি। বিরাট কোহালির জন্য বলতে পারি, ওকে আমি শ্রদ্ধা করি কিন্ত ভয় পাই না। বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানকে বল করা সব সময়েই চ্যালেঞ্জের। এ রকম ক্ষেত্রে নিজের খেলাকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যেতে হয়। ভারত এবং বিরাট কোহালির বিরুদ্ধে খেলার জন্য আমি মুখিয়ে রয়েছি।”

ভারতীয় দলের অস্ট্রেলিয়া সফরের ক্রীড়াসূচি ঘোষণা, গাব্বায় প্রথম টেস্ট শুরু ৩ ডিসেম্বর

0

চলতি করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সংকটের মধ্যে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর। আর এই সংবাদ বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইশ গজে প্রত্যাবর্তনের আশা জোরাল করবে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) চলতি বছরের ডিসেম্বরে ভারতীয় দলের সফরের ক্রীড়াসূচি প্রকাশ করল। সূচীকে রয়েছে দিন-রাতের টেস্টও। সিএ জানিয়েছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী চার ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে।

চলতি করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সংকটের মধ্যে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য সুখবর। আর এই সংবাদ বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইশ গজে প্রত্যাবর্তনের আশা জোরাল করবে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) চলতি বছরের ডিসেম্বরে ভারতীয় দলের সফরের ক্রীড়াসূচি প্রকাশ করল। সূচীকে রয়েছে দিন-রাতের টেস্টও। সিএ জানিয়েছে, পরিকল্পনা অনুযায়ী চার ম্যাচের এই টেস্ট সিরিজ অনুষ্ঠিত হবে।সূচী অনুযায়ী, ভারত অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে ব্রিসবেনের গাব্বায় ৩ ডিসেম্বর। পরের টেস্ট অ্যাডিলেডে ১১ ডিসেম্বর থেকে। সেই সঙ্গে থাকছে অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী বক্সিং ডে ও নিউইয়ার টেস্ট এমসিজি ও সিডনিতে। এরপর একদিনের সিরিজের তিনটি ম্যাচ হবে পার্থ, মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এমসিজি) ও সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড (এসসিজি)-তে।সিরিজে সীমিত সংখ্যক দর্শককেই মাঠে থাকতে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। থাকবে না ভারতীয় দল ও সাপোর্ট স্টাফ ও আধিকারিকরা ছাড়া ভারত থেকে আসা কোনও দর্শক।

ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে টেস্ট সিরিজ বর্ডার-গাওস্কর ট্রফি (১৯৯৬-৯৭ থেকে) হিসেবে পরিচিত। বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম হাই-ভোল্টেজ সিরিজে দুই শক্তিধর দলের টক্কর দেখতে মুখিয়ে থাকেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। বেশ কয়েকটি মরশুম ধরেই ভারত ও অস্ট্রেলিয়া আইসিসি-র টেস্ট ক্রমতালিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রথম চারের মধ্যেই রয়েছে।২০১৭-তে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ হারিয়ে এবং পরে ২০১৮-১৯ এ ডাউনআন্ডারে সিরিজ জিতে ভারত বর্ডার-গাওস্কর ট্রফি ধরে রেখেছে ভারত। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ২-১ এ সিরিজ জয় করে ভারত। প্রথম ভারতীয় দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় সিরিজ জয়ের রেকর্ড গড়ে টিম কোহলি।চলতি আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ৩৬০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ভারত। ২৯৬ পয়েন্ট নিয়ে পরের স্থানে অস্ট্রেলিয়া। টেস্টে আইসিসি ক্রমতালিকায় ১১৬ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম স্থানে অস্ট্রেলিয়া। ১১৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।

কোহলির ফিটনেস ট্রেনিং দেখে নিজেরই লজ্জা হত-তামিম ইকবাল

0

ফিটনেস নিয়ে ভারতের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির আগ্রহের কথা কারুর অজানা নয়। তাঁর হাত ধরে ভারতীয় ক্রিকেট দলে ফিটনেস বিপ্লবের আমদানি হয়েছে। আর এতে বেশ প্রভাবিত বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও। বাংলাদেশের নবনিযুক্ত একদিনের দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল স্বীকার করেছেন যে, এই বিষয়টি তাঁদের দলেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে. ফিটনেস নিয়ে ভারতের ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির আগ্রহের কথা কারুর অজানা নয়। তাঁর হাত ধরে ভারতীয় ক্রিকেট দলে ফিটনেস বিপ্লবের আমদানি হয়েছে। আর এতে বেশ প্রভাবিত বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও। বাংলাদেশের নবনিযুক্ত একদিনের দলের অধিনায়ক তামিম ইকবাল স্বীকার করেছেন যে, এই বিষয়টি তাঁদের দলেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

১৩ বছরের দীর্ঘ ক্রিকেট কেরিয়ারে সমস্ত ফরম্যাট মিলিয়ে ১০ হাজারের বেশি রানের মালিক তামিম বলেছেন, ফিটনেসের এই গুরুত্ব বুঝতে বাংলাদেশ দলের কিছুটা সময় লেগেছে। একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন যে, ফিটনেস নিয়ে কঠোর বিধিনিয়ম মেনে চলে তিনি উপকৃত হয়েছেন।
একটি ভিডিও কাস্টে সঞ্জয় মঞ্জরেকরের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তামিম বলেছেন, কোনও ভারতীয় ধারাভাষ্যকারের সঙ্গে কথা বলছি বলেই কিন্তু কোহলিদের দেখে উদ্ধুদ্ধ হওয়ার কথা বলছি না। আমি মনে করি, ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। ভারতে যা কিছু ঘটছে, সেদিকে আমরা নজর রাখি। ভারতে ফিটনেস নিয়ে মানসিকতার বদলের প্রভাব বাংলাদেশেও বেশ ভালো পরিমাণে পড়েছে।

তামিম বলেছেন, আমার বলতে কোনও দ্বিধা নেই যে, ২-৩ বছর আগে বিরাটকে জিমে কঠিন কঠিন সব কসরত ও দৌড়তে দেখতাম, তখন নিজে থেকে লজ্জিত বোধ করতাম। আমি ভাবতাম যে, সাফল্যের খিদে আমারই বয়সী এই ছেলেটার এতটাই বেশি যে ও এত কঠোর পরিশ্রম করছে, আর আমি এর অর্ধেকও হয়ত করি না। এই পর্যায়ে ওর সমকক্ষ হতে না পারলেও আমি তো অনন্ত ওর সমকক্ষ হতে পারি। হয়ত আমি ৫০-৬০ শতাংশে পৌঁছতে পারব।
চলতি মাসের গোড়াতেও কোহলিও ফিটনেস সংক্রান্ত শৃঙ্খলার বিষয়টি নিয়ে তাঁর মুগ্ধতার কথা তামিম জানিয়েছিলেন। তামিম বলেছিলেন, কোহলি এখন ফিটনেসের ক্ষেত্রে উঠতি ক্রিকেটারদের কাছে আদর্শ হয়ে উঠেছে।
কোহলির সঙ্গে ভিডিও সেশনে তামিম বলেছিলেন, আগে ক্রিকেটাররা ফিটনেস বজায় রাখা নিয়ে অন্য খেলার অ্যাথলিটদের কাছে অনুপ্রেরণা নিতেন। এখন ক্রিকেটেই এ ধরনের অনুকরণযোগ্য খেলোয়াড় রয়েছেন। এজন্য তিনি গর্বিত।

আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে সরবহলেন ডারেন সামি

0

আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে সরব হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটাররাও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি ২০ বিশ্বকাপজয়ী দলের প্রাক্তন অধিনায়ক ডারেন সামি বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে সরব হতে আইসিসি ও ক্রিকেট মহলের কাছে আর্জি জানিয়েছেন।

গত সপ্তাহে আমেরিকায় হ্যান্ডকাফে হাত বাঁধা অবস্থায় জর্জ ফ্লয়েড নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের গলায় হাঁটু চেপে ধরেছিলেন এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ অফিসার। জর্জ চিত্কার করছিলেন, আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে। এরপর তাঁর মৃত্যু হয়।এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলছে আমেরিকা জুড়ে। এই ঘটনার প্রতিবাদে একাধিক ট্যুইট করেছেন ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার। এই ট্যুইটের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে কৃষ্ণাঙ্গদের যে বৈষম্যের শিকার হতে হয়, তা তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর ট্যুইট-এই ভিডিও দেখে বর্ণের ভিত্তিতে যদি ক্রিকেট বিশ্ব এখনই ক্রিকেট বিশ্ব রুখে না দাঁড়ায় তবে আপনারাও এই সমস্যার অংশ হয়ে উঠবেন। এই বর্ণবিদ্বেষ শুধু আমেরিকাতেই সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে সামি বলেছেন, সারা বিশ্বেই কৃষ্ণাঙ্গদের নিত্যদিনই এই সামাজিক অভিশাপের শিকার হতে হয়।সামির আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান ক্রিস গেইলও বর্ণবিদ্বেষের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। গেইলের অভিযোগ, তাঁরকেরিয়ারে তিনিও বর্ণবিদ্বেষমূলক মন্তব্যের শিকার হয়েছেন। সোমবার নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এক বিবৃতিতে গেইল লিখেছিলেন, বর্ণবিদ্বেষএখন আর শুধুমাত্র ফুটবলেই সীমাবদ্ধ নেই। তা পুরোদস্তুর রয়েছে ক্রিকেটেও। গেইল বলেছেন, ‘প্রত্যেকের বাঁচার অধিকারের মতো কৃষ্ণাঙ্গদেরওবাঁচার অধিকার আছে। সবার জীবনের মূল্য সমান। বর্ণবিদ্বেষীদের প্রতি ধিক্কার।কৃষ্ণাঙ্গদের বোকা ভেবো না। কৃষ্ণাঙ্গদেরও বলছি, নিজেদেরছোট ভেবে নীচে নামিও না।আমি কৃষ্ণাঙ্গ বলেই শক্তিশালী ও গর্বিত।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু পাকিস্তানের ক্রিকেটারের

0

করোনার হানা এবার বাইশ গজে। মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার রিয়াজ শেখ।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাকিস্তানে পরিচিত মুখ ছিলেন রিয়াজ। তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছিল কোভিড ১৯। পাকিস্তানের জাতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রশিদ লতিফ ট্যুইট করে শোক সংবাদটি জানান। মঙ্গলবার লতিফ ট্যুইট করে জানান, পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটার রিয়াজ করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৫১ বছর। ১৯৮৭ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে ৪৩টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ ও ২৫টি লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছিলেন রিয়াজ।

লতিফ ট্যুইট করে প্রয়াত ক্রিকেটারের পরিবারের পাশে থাকার কথা বলেছেন। অনেকেই সমবেদনা জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

আম্পান মতোই কি ভয়ঙ্কর হতে চলেছে নিসর্গ ?

0

আম্পান  পর এবার নিসর্গ। পশ্চিম উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়। বর্তমানে ঝড়ের অবস্থান মহারাষ্ট্রের রায়গড় জেলার আলিবাগ থেকে ১৫৫ ও মুম্বই উপকূল থেকে ২০০ কিমি দূরে। আজ বিকেল নাগাদ মহারাষ্ট্রের হরিহরেশ্বর এবং কেন্দ্র শাসিত দমনের মাঝখানে ১১০ কিমি বেগে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা মুম্বইতে। ইতিমধ্যেই দাদার সহ কয়েকটি এলাকায় শুরু হয়েছে বৃষ্টি।

ছিমছাম অনুষ্ঠানে সেরেছেন বিয়ে, সন্তানসম্ভবা স্ত্রী নাতাশা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা হার্দিক পাণ্ড্যর

0

লকডাউন চলাকালীনই সুখবর দিলেন হার্দিক পাণ্ড্য। ভারতীয় দলের অলরাউন্ডার সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করলেন, ছিমছাম ঘরোয়া অনুষ্ঠানে বান্ধবী নাতাশা স্তাঙ্কোভিচকে বিয়ে করেছেন তিনি। সঙ্গে জানালেন, স্ত্রী নাতাশা সন্তানসম্ভবা। ‘বেবি বাম্পে’র ছবি শেয়ার করে হার্দিক জানালেন শীঘ্রই তিনি বাবা হতে চলেছেন নাতাশার বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করে হার্দিক লিখলেন, ‘নাতাশা ও আমার এই প্রেমের সফরটা খুবই আনন্দময় ও সুখের৷ আর এবার তো এই সফরটা আরও রঙিন হতে চলেছে৷ আমাদের জীবনে আসতে চলেছে নতুন সদস্য৷ আমি আর নাতাশা দু’জনেই খুব উত্তেজিত নতুন জীবনে পা রাখার জন্য৷

আপনাদের সবার আশীর্বাদ চাইচলতি বছরের ১ জানুয়ারি সার্বিয়ান মডেল নাতাশার সঙ্গে বাগদান করেন হার্দিক৷ বছরের শুরুতেই দুবাইয়ে ছুটি কাটাতে গিয়ে নাতাশার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে আংটি পরিয়ে দিয়েছিলেন হার্দিক৷ সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরালও হয়েছিল৷ তারপর থেকে নাতাশার সঙ্গে লিভ ইন করছিলেন তারকা অলরাউন্ডার। রবিবার তাঁর বাবা হওয়ার সুখবরটা দিলেন হার্দিক।বিরাট কোহলি থেকে রবি শাস্ত্রী, পাণ্ড্য দম্পতিকে শুভেচ্ছাবার্তায় ভরিয়ে দিয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফেরা। বিরাট ট্যুইট করেছেন, ‘তোমাদের দুজনকেই অনেক অভিনন্দন। পরিবারের তৃতীয় সদস্যের জন্য আগাম ভালবাসা আর আশীর্বাদ রইল।’ শাস্ত্রী লিখেছেন, ‘হার্ডি ও নাতাশাকে অনেক অভিনন্দন।’ যুজবেন্দ্র চাহাল লিখেছেন, ‘অভিনন্দন’।